Buy Land on the Moon from Bangladesh

0
221
buy-moon-land-bd

Buy Land on the Moon from Bangladesh at a Cheap Price. বাংলাদেশ থেকে চাঁদে জমি কিনুন।কয়েকদিন থেকে একটা খবর চাউর হয়েছে— দেশের কেউ কেউ পৃথিবীর সীমানা ছাপিয়ে চাঁদের দেশে জমি কিনছেন। প্রথমদিকে ব্যাপারটাকে নিছক তামাশা মনে হয়েছিলো। কিন্তু পর পর কয়েকটা মেইনস্ট্রীম মিডিয়ায় ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তি দেখে কৌতূহল থেকে ব্যাপারটাকে ঘেঁটে দেখলাম। এখন পর্যন্ত মনে হলো ব্যাপারটা গুজব নয়, সত্যি।

চাঁদে জমি কে বা কারা বিক্রি করেন?

চাঁদের মালিকানাটা আসলে কার হাতে? চাঁদ কিনে নেয়া হয়েছে কাদের কাছ থেকে? এই মহাবিশ্বের গ্রহ নক্ষত্রে মালিক মানুষ এটি মনে করার কোন কারণ নেই। মানুষ এই মহাবিশ্বের অতি নগন্য এবং তাদের বাসস্থান পৃথিবী মহাবিশ্বের মামুলি এক গ্রহ মাত্র। কিন্তু সেসব বিষয় যেটাই থাকুক, চাঁদ নিয়ে তো একসময় বিরাট মহাযুদ্ধ বেধে যাবে বুঝতে পারছি।

আপনি হয়তো ভাবছেন, ‘চাঁদের জমি বিক্রি করছে কোন এলিয়েন, তাই তো?’ আপনার ধারণা সত্যি নয়। যিনি চাঁদে জমি বিক্রি করছেন তিনি কোন এলিয়েন নন, আমাদের মতোই রক্ত-মাংশের মানুষ। তার নাম ডেনিস হোপ। আমেরিকার এই নাগরিক লুনার অ্যাম্বেসী ডট কম নামে একটা সাইট খুলে দেদারসে বিক্রি করে দিচ্ছেন সৌরজগতের সকল গ্রহ-উপগ্রহ আর নক্ষত্রকে। একমাত্র তেজস্বী সূর্যকেই তিনি এখন অবধি নিলামে তুলতে পারেন নি। বাদ বাকি মঙ্গল, শনি, বৃহস্পতি, বুধ থেকে শুরু করে রোমান্টিকতার সর্বোচ্চ সম্বল চাঁদকেও তিনি বিক্রিবাট্টা করে ইউরোপ-আমেরিকায় প্লট বাগাচ্ছেন। সৌরজগতের যে অংশ আপনি কিনবেন তার একটা ম্যাপ, ক্রয়ের একটা সার্টিফিকেট এবং সেখানকার একটা পাসপোর্টও তারা আপনাকে ইস্যু করে দেবে।
ব্যাপারটার মধ্যে যে একটা উষ্ণ আবেগ আর গদগদ আত্মম্ভরিতা আছে তা বুঝতেই পারছেন। যেহেতু হাল আমলের ট্রেন্ড, সেহেতু অনেক উষ্ণ আবেগী লোকজন সেটাকে ‘কী পেয়েছি না কী পেয়েছি’ ধরে সেদিকে ঝুঁকতে শুরু করেছে। ট্রেন্ডের ছোঁয়ার বাইরে থাকেনি বাংলাদেশও। আমাদের দেশের কয়েকজনও ইতোমধ্যেই চাঁদের নাগরিক হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন বলে সংবাদমাধ্যম তরফে জানতে পেরেছি।

চাঁদের জমির মূল্য তালিকা

আন্তর্জাতিক চন্দ্র ভূমি রেজিস্ট্রির মূল্য অনুযায়ী, চাঁদের জমির 1 একর সর্বনিম্ন মূল্য ১৬২৪ টাকা প্রায় (US$18.95) এবং সর্বোচ্চ মূল্য ১১১৭৫ টাকা প্রায় (US$130.47)। চাঁদে Vapours সাইটের জমির দাম সবচেয়ে কম এবং Rains সাইটে জমির দাম সবচেয়ে বেশি।

How much price of land on the moon?

According to the value of the International Lunar Land Registry, the minimum price of 1 acre of moon land is US$18.95 and the maximum price is US$130.47.

Price List of each landing site on the Moon
SERIAL LANDING SITE TRACT PRICE PER ACRE
01 BAY OF RAINBOWS 6 US$45.18
02 SEA OF RAINS 30 US$130.47
03 LAKE OF DREAMS 15 US$43.91
04 SEA OF TRANQUILITY 34 US$52.69
05 TAURUS MOUNTAINS 2 US$31.99
06 THE LUNAR ALPS 4 US$31.36
07 THE LAKE OF HAPPINESS 55 US$33.87
08 MOSCOVIENSE REGION 01 US$62.73
09 EASTERN SEA (ORIENTALE) 02 US$36.38 
10 SEA OF NECTAR 0 0
11 OCEAN OF STORMS 34 US$50.18
12 SEA OF SERENITY 22 US$35.13
13 SEA OF INGENUITY 0 0
14 SEA OF CLOUDS 7 US$28.85
15 SEA OF VAPOURS 19 US$18.95

Land on the Moon

The first man to land on the moon:
It is often heard that land is bought on the moon. The people of Bangladesh are also buying land on the moon from US President George W. Bush and Reagan. A company in the United States gives bookings for the land of the moon. I heard there are plans to stay on the moon. Stephen Hawking says human civilization needs to find alternative settlements outside the world. There is no way to sustain human civilization without migrating to the planet. In that sense, the moon could be a colony of human civilization. The problem is to think from here.
Who Sells Land on The Moon?
Who actually owns the moon? From whom was the moon bought? Those who own the planets and stars of this universe have no reason to think so. Humans are very insignificant in this universe and their habitat is only one of the common planets in the universe. But whatever it is, I understand that one day a great world war will start with the moon. America is selling lunar land, China will one day start selling to Russia (or still doing?). So suppose ‘Muslim World’ starts selling then it will become a composition! For the sake of Allah, the Qur’an is one of the few books that will ban human habitation on the moon.
Moon settlement, is it Real?
The rest are Bible, Torah, Manusmriti, etc. Living on the moon is no joke or light talk. That is the reality. Be it the moon or any other planet – people have to settle on different planets because the life span of the earth has decreased day by day. There is no such thing as resurrection. The destruction of the earth is the most trivial event in the universe. Many stars larger than Earth have been transformed into white dwarfs. How many planets have been destroyed? The world will be (aha my favorite world!) But the final judgment will be nothing but the afterlife.
Human civilization will continue to spread to other planets (maybe the moon). There are some suggestions for me that there should be no more division and bloodshed in this human settlement-
No mosques, temples, or churches can be built on the moon (this is our next settlement). Quran Bible Torah Manusmriti, Veda Nothing can be taken. There is no question about how the Qibla will be determined on the moon, whether Eid will be celebrated, how it will be worshiped without seeing the date star. This is what I want, conventional religion cannot be accepted.
Be careful, To Buy Land on the Moon
The moon is the only satellite of the earth. With the destruction of the earth, the moon will no longer exist. So scientists are trying to settle on Mars, not the moon. But with the destruction of the sun, all the planets, including Mars, will be destroyed. Mankind will then be completely wiped out if it cannot settle outside the solar system. After the creation of the earth, various aquatic animals and trees have gradually been born. Then a primitive man appeared. From the time when people started to become civilized, various religions started to originate. So religion is man-made, otherwise, 4200 religions would not have been created in the world.
ডেনিস এম হোপ কে? Who is Denis Hope?
চাঁদে জমি বিক্রি করে, মূলত মার্কিন নাগরিক ডেনিস হোপের সংস্থা ‘লুনার অ্যাম্বাসি’। যার বাংলা অর্থ চন্দ্র দূতাবাস। ডেনিস এম হোপ ১৯৮০ সাল থেকে চাঁদের জমি বিক্রি করছেন। তবে চাঁদের মালিকানা ‌কিন্তু হোপের। লুনার অ্যাম্বাসির সিইও হোপ নিজেই। যদিও এই সিইও’র অর্থ সেলেশ্চিয়াল এগজিকিউটিভ অফিসার। এর বাংলা অর্থ মহাজাগতিক বিশেষ অধিকর্তা।  এ পর্যন্ত শতাধিক দেশের কয়েক লাখ খদ্দের,মক্কেল পেয়েছেন তিনি। নাম মাত্র মুল্যে (দুজনের একটি ডিনারের খরচ) তিনি চাঁদের জমি বিক্রি করছে।
তিনি চাঁদের মালিক কিভাবে হলেন?
এটা বেশ ইন্টারেস্টিং। যেহেতু চাঁদের কোন মালিকানা কেউ দাবী করেননি, সুতরাং তিনিই এর মালিক। যদিও চাঁদের ব্যাপারে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া এসব দেশ নিয়ে একটি চুক্তি রয়েছে বেশ আগে। চুক্তি হলো, ‘চাঁদের সুরক্ষা সবাই করবেন। চাঁদের উপর বিশ্বের সকল দেশের সমান অধিকার। চাঁদের ক্ষতি হয় এমন কিছু করা অস্ত্র বা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষানিরীক্ষা করা যাবেনা চাঁদে’। তথাপি ডেনিস হোপ এসবের ধার ধারেন না।
চাঁদের মালিকানা দাবীর মূল কাহিনি?
নিদারুণ অর্থকষ্টের মধ্যে দিয়ে যখন একে একে হোপের স্ত্রী সহ সবাই ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, তখন একদিন সন্ধ্যায় জানালা দিয়ে চাঁদের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে তার মাথায় এই বুদ্ধিটা এলো। চাঁদের মালিকানা নিয়ে চাঁদে জমি বিক্রির ব্যবসা করলে কেমন হয়?
ব্যাস যেই ভাবা সেই কাজ।
মালিকানাটা নিয়ে নিজে নিজেই নিলেন। একটা ওয়েব সাইট খুললেন। তারপর জমি বিক্রির এড দিলেন ইন্টারনেট দুনিয়ায়৷ তারপর প্লট আকারে চাঁদ টুকরো টুকরো করে নাম মাত্র মুল্যে বিক্রি করতে থাকলেন তা কাস্টমার দের কাছে
কাস্টমার এর অভাব হয়নি। হবেও না ভবিষ্যতে। বিক্রি চলছে দেদারসে। হয়তো চলবেও আরো কয়েক বছর।
বিজ্ঞজনের মতামত কি?
‘তুমি এভাবে চাঁদের মালিকানা দাবী করে চাঁদে প্লট বিক্রি করতে পারো না’, এমন অভিযোগ তিনি থোড়াই কেয়ার করেন। “আমার ইচ্চা। চাঁদ আমার, আমি চাঁদ, আমি বিক্রি করবো। কার কি করার আছে…, আমিতো ইউনাইটেড ন্যাশন কে আমার মালিকানা দাবি করে একটা চিঠি দিয়েছি। ওরাতো কোন রিপ্লাই দেয় নি আমাকে। সো চাঁদ আমার”।
ডেনিস হোপ’কে কে সামাল দিবে?
যাক আপনারা চাঁদে জমি কিনেন আপনাদের ইচ্ছেমতো। সমস্যা নেই।
তবে আমি ভাবছি অন্য বিষয়।
ভবিষ্যতে তিনি বিক্রয়কৃত চাঁদের প্লটের বছর বছর খাজনা দাবী করেন কিনা? যদি করেন, তবে তার খদ্দের বা মক্কেলদের কিছু বিপদের মুখে পড়তে হতে পারে। তাহলে হয়তো সেসব মক্কেলদের আরো বেশ কিছু ডলার ‘আক্কেল সেলামী’ হিসেবে গুনতে হতে পারে।
শুধু তাই নয় খাজনা ঠিকমতো আদায় না করলে তিনি কিন্তু মামলায় টামলায় ফাঁসাতে পারেন..! সাবধানের মার নেই বলে একটা কথা আছে।
সো, খদ্দেরদেরকে বলছি, আপনারা একটু রয়ে সরে চাঁদে জমি কিনুন। বিপদ আপদ আসতে সময় লাগেনা।
উল্লেখ্য যে, গ্রহ উপগ্রহের মালিকা দাবী করে আমেরিকান নাগরিক ডেনিস হোপ কেবল চাঁদ কেই বিক্রি করে হাওয়া করে দিচ্ছেন এমন নয়! তিনি মঙ্গল গ্রহ এমনকি বৃহস্পতি গ্রহকেও নিজের মালিকানা দাবী করে একই কায়দায় পকেট কেটে যাচ্ছেন, বেরসিক খদ্দেরদের।
ডা. সাঈদ এনাম
(ডিএমসি, বিসিএস)
সহকারী অধ্যাপক, সাইকিয়াট্রি।
ফেলো, আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক এসোসিয়েশন।
মেম্বার, রয়েল কলেজ অব ইংল্যান্ড।